বটবৃক্ষের তলে দাঁড়িয়ে এক উদাসী তরুন
ক্লান্ত পরিশ্রান্ত সে নষ্ট অতিতের দরুন।
গুম্ফমন্দিত মুখাবয়বে রুক্ষতার ছাপ
সব রুক্ষতা ছুয়েছে গত জন্মের পাপ।
বাবরী দোলানো চুলে হতাশার বাসা
নিয়তি সেথায় খেলে নির্মম পাশা।
দেহের পড়তে তার বার্থতার ছবি
পংক্তি একেছে সেথায় এক অদৃষ্ট কবি।
চোখের কোণে আকা শুকানো জলের রেখা
বিধাতার শেষ খেলা আজও হলনা দেখা।
যার খেলার বলি হয়ে তার পথচলা
তার তরে গড়ে সে দুঃস্বপ্নের দলা।
দৃষ্টি সীমানা ধীরে ক্ষীন হয়ে আসে
দুচোখ আজ নিয়োজিত স্বপ্নহীনতার চাষে।
দুহাতে আকা তার নিজহত্যার খুন
আত্মা হত্যার আর্তনাদ তার লাগেনা করুন।
অবিন্যস্ত ইচ্ছেগুলো কাক হয়ে ওড়ে
সাদাকালো স্বপ্নগুলো ধুকছে প্রকোপ জ্বরে।
বৃক্ষের ছায়ায় তরুন ভাবে নিরন্তর
ধরনীর তার কাছে মরুসম প্রান্তর।

0 comments:
Post a Comment